romantice-love-story-aktukro-valobasa

এক টুকরো ভালোবাসা-পর্ব:1

ভালবাসার গল্প
Imran Khan || 03 March, 2020 ! 9: 45 pm

আট মাসের প্যাগনেন্ট মায়া ।ফ্লোরে ব্যথায় ছটফট করছে ।হঠাৎ কেউ তার পেটে একটা লাঠি মারে ।ব্যথায় মায়ার চোখ বন্ধ হয়ে আসসে আর বার বার ই মনে মনে তার স্বামীকে মনে করছে ।কিছু ক্ষণ পর মায়ার স্বামী এসে মায়ার এই অবস্থা দেখে বলে
……..:মায়া কী হয়েছে তোমার ।?? মায়া কথা বলো ??
তাড়াতাড়ি এমবুলেন্স এ ফোন দেওয়া হয় ।মায়া ব্যথায় বার বার চিৎকার করছে ।এমবুলেন্স আসার পর মায়া কে তাড়াতাড়ি হসপিটালে নিয়ে যাচ্ছে ।রাস্তায় মায়ার পুরনো স্মৃতি মনে পড়ছে
●●●Flash back ●●●
চট্টগ্রাম থেকে মায়া ও তার পরিবার ঢাকা তে একটা ফ্লাটে উঠেছে ।মায়ার পরিবার বলতে ওর মা বাবা আর বোন ছায়া আছে ।রাস্তায় মায়ার ব্যাগটা চুরি হয়ে যায় ।মায়া পাগলের মতো তার ব্যাগ খুঁজছে ।তা দেখে ছায়া বলে
ছায়া:এত পাগল হইতাছ কেন ব্যাগে তো কোন টাকা ছিল না ।
মায়া:আরে ব্যাগে আমার ডাইরি ছিল ।ওইটা তে আমার জীবনের সব মূহুর্ত লিখা ।এইটা আমার জীবনের চেয়ে ও দামি ।
এই বলে মায়া কান্না করে দেয় ।
এই কথা শুনে ছায়া বলে এই পাগলামানি আমি আর সহ্য করতে পারব না ।এই আসার সময় থেকা আমাকে জালাইতাছ ।
গল্পে মায়া অনেক চঞ্চল আর ছায়া অনেক গম্ভীর ।মায়া সবার সাথে মিশে যায় খুব সহজে কিন্তু ছায়ার সমস্যা হয় ।

ফ্লাটে ওঠে মায়া ছায়া আর তার পরিবার ঘর গোছাতে লাগে তখন ই পাশের ফ্লাট থেকে একটা মেয়ে এসে বলে
হাই আমি আশা ।পাশের ফ্লাটে থাকি ।
মায়া দেখে বলে
মায়া:হাই ।এখন কি এখানে ই দাড়িয়ে থাকবে নাকি আমার সাহায্য করবে ।
আশা আর মায়ার অনেক ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গেছে খুব অল্প সময়ে।মায়া, ছায়া আর আশা এক সাথে ই বিশ্ববিদ্যালয়ে যায় ।আজকে মায়া আর ছায়ার প্রথম দিন ।ভিতরে ঢুকেই ছায়া তাদের থেকে আলাদা হয়ে যায় ।আশা আর মায়া একসাথে থাকে পুরো ভারসিটি তা ঘুরে দেখে হঠাৎ যাওয়ার সময় কিছু সিনিয়র বখাটে সামনে পড়ে ।তারা রের্গীন করছে ।আশা আর মায়া সামনে দেখে চুপ চাপ পাশ কাটিয়ে চলে যেতে নেয় তখনই ফাহাত বলে উঠে এই যে মিস কোথায় যাচ্ছেন ।মায়া আর আশা থেমে যায় ।ফাহাত তাদের সাথে বেয়াদবি করতে থাকে তখনই রাহাত এসে বলে
রাহাত: ভাইয়া ওদের যেতে দে ,না হলে আব্বুর থেকে বিচার দিব ।এই ফাঁকে মায়া আর আশা চলে যায় ।আশা বলে
আশা:এই হলো ফাহাত আর রাহাত ।ভারসিটির সিনিয়র ।আমাদের এলাকায় ই থাকে ।বড়লোক অনেক।
মায়া:ওও
আশা:কী ওওওও করতাছত?? ডান্স আমার না ফাহাত কে অনেক ভালো লাগে ।
মায়া:কিইই তোর ওই বখাটে কে ভালো লাগছে সময় থাকতে বদলে যা ।ওই টাকা যা দেখলাম ।আস্তা একটা বখাটে এর থেকে ওইটার ভাই রাহাত কত ভালো ।এমন ছেলে খুব কমই দেখা যায় ।
আশা:কী মামা তুমি আবার প্রেমে টেমে পড়লা নাকি।
মায়া:যা কি বলস না ।
কিছুদিন এই ভাবে কেটে যায় ।মায়া র অভ্যাস সকালে জগিং করা।মায়া জগিং করে কান্ত হয়ে পানি খাচ্ছে ।এই সময় পিছন থেকে কেউ বলে উঠে
,,,,,,,,:আমাকে একটু পানি দেওয়া যাবে ।
পেছনে ফিরে দেখে রাহাত ।মায়া একটু হেসে পানি দেয়। মায়া আর রাস্তার এক সাথে জগিং করে আর অনেক কথা বলে ।মায়া রাহাত এর সম্পর্কে জানে আর রাহাত মায়ার সম্পর্কে ।
কিছুদিন ধরেই মায়ার বাসায় র সামনে কেউ ফুল রেখে যাচ্ছে ।মায়া মনে করছে এইটা রাহাত এর কাজ ।কিছু দিন ধরে ভারসিটি র সবাই মায়া কে এরিয়ে চলছে ।কিন্তু মায়া বেশি কথা বলে না ।মায়া পার্ট টাইম জবের জন্য চেষ্টা করছে ।হঠাৎ একটা ফোন আসে মায়ার ফোনে ।এক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি হয় মায়ার।মায়া একটু অবাক হয় এত বড় কোম্পানিতে মায়ার চাকরি হয় কীভাবে ।
সকালে জব এর জন্য যায় মায়া ।লিফটে ওঠে ই দেখে কে জানো আসসে ।লোকটা দেখতে লম্বা, সেভ করা ।পুরা হিরো লুক ।আবার বডি ও আছে ।লিফট বন্ধ হয়ে যায় ।মায়া জায়গা মতো পৌছে যায় দেখে এখানে মিটিং হচ্ছে ।একটা মেয়ে এসে বলে আপনি কি চাকরির জন্য এসেছেন ।
মায়া:হ্যাঁ
মেয়েটি বলে আমির সাথে আসুন ।
কেবিনে ঢুকতে যাবে তখনই মায়া পা ফিসলে পড়ে যায় ।আর লোকটা মায়া কে ধরে ফেলে। অনেকক্ষণ লোকটি মায়া র দিকে তাকিয়ে থাকে ।মায়া একটু আনইজি ফিল করে। লোকটি ছেড়ে দিয়ে মায়া কে বলে যে মায়া এখন থেকে ওই লোকটির পারর্সোনাল সেক্রেটারি ।মায়া ও হ্যাঁ বলে দেয় ।মায়া অফিস থেকে বের হয়ে রাহাত অঃর সাথে দেখা করতে যায় ।রাহাতকে সব বলে। রাহাত লোকটার নাম জিজ্ঞেস করলে মায়া বলে
মায়া:ধুত নাম ই তো জানা হয় নি ।

চলবে..
আশা করি এই গল্পটা ও আপনাদের ভালো লাগবে ।এই গল্পে কিন্তু তিনটা নায়ক ।
লেখক:Tabassum shahariya

Comments

Post Reads: 7882 Views