# প্রশ্নঃ – জান্নাতে ছেলেরা জান্নাতি হুর স্ত্রী পায়, মেয়েরা ও কি জান্নাতে জান্নাতি হুর স্বামী পাবে….?

Islamic Question and Answer ইসলাম ও জীবন
Imran Khan || 24 January, 2019 ! 11: 31 am

’# জান্নাতে_মেয়েরা_কি_পাবে ★★★
# প্রশ্নঃ –
জান্নাতে ছেলেরা জান্নাতি হুর স্ত্রী পায়, মেয়েরা ও
কি জান্নাতে জান্নাতি হুর স্বামী পাবে….?
# উওরঃ –
অবশ্যই মেয়েরা হুর স্বামী পাবে না, তবে মেয়েরা কি পাবে আসুন তা জানার জন্য আরও একটু নিচের দিকে
নামি…….
→→→ আল্লাহ পাক স্বামী স্ত্রী এর মধুর সম্পর্ক অতি পচন্দ করেন, স্বামী স্ত্রী যদি দুনিয়াতে নেককার হয়, তবে আল্লাহ পাক ওই স্বামী স্ত্রী কে জান্নাতের বিতরে ও স্বামী স্ত্রী করে রাখবেন। তবে স্ত্রী এর মনে প্রশ্ন জাগতে পারে স্বামী যদি নেককার হয় তবে ত আমার স্বামী সুন্দরী জান্নাতী হুর পেয়ে আমাকে ভুলে যাবে, আসলে তা নয়, আল্লাহ পাক জান্নাতের ভেতর জান্নাতের হুর এর
চাইতে ও দুনিয়ার স্ত্রী দেরকে ৭০ গুন বেশি সুন্দর করে দিবেন, আর হুরগন থাকবে স্বামি স্ত্রী এর খাদেম।
“”””””এখন মনে প্রশ্ন জাগছে স্বামী যদি গুনাহগার হয় আর স্ত্রী যদি নেককার হয়, তবে স্বামীতো গুনাহগার হবার কারনে জাহান্নামে চলে যাবে, তখন নেককার স্ত্রী জান্নাতের ভেতর স্বামী ছাড়া কি ভাবে
একা থাকবে, আমার মুসলিম কালেমার বোন তোমাদের এই প্রশ্নের উওর দিচ্ছি,………..
!!!!! আল্লাহর রাসুল (সাঃ) কৌতুক করে এক দিন এক বুড়িকে বলে ছিলেন , বুড়ি আপনি ত কোন দিন জান্নাতে যেতে পারবেন না, তখন বুড়ি এই কথা শুনে কেঁদে ফেললো, তখন
প্রিয় নবী (সাঃ) মুচকি মুচকি হাসছেন আর বলছেন আল্লাহ পাক তুমি বুড়িকে যুবতি বানিয়ে তার পর জান্নাতে প্রবেশ
করাবেন……..? আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেন আল্লাহ পাক
প্রত্যেক মানুষকে যুবক-যুবতি করে তার পর জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। এখন মেয়েরা একটা কথা ভেবে দেখোতো জান্নাতের ভেতর এতো সুন্দর হুর স্ত্রী আল্লাহ পাক সৃষ্টি
করেছেন আল্লাহ পাকের কুদরত দ্বারা, আর এই সুন্দর হুরের স্বামী যদি হয় দুনিয়ার পুরুষ, তবে জান্নাতে যখন দুনিয়ার পুরুষকে যুবক বানিয়ে আল্লাহ পাক জান্নাতে প্রবেশ করাবেন তখন ওই যুবককে আল্লাহ রাব্বুল
আলামীন কতো সুন্দর্য দান করবেন, জান্নাতি যুবক কে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ছয় নবী রাসুল গণের গুণা বলি দান করবেন, আদম (আঃ) এর মতো দেহ দান করবেন, ঈশা (আঃ) এর মতো বয়স দান করবেন, ইউসুফ (আঃ) এর মতো সুন্দরর্য দান করবেন, আয়য়ুব (আঃ) এর মতো দিল দান করবেন, দাউদ (আঃ) এর মতো কন্ঠ দান করবেন, প্রিয় নবী (সাঃ) এর মতো চরিএ দান করবেন। আশা করি এখন বুঝতে পারছেন আপনারা মেয়েরা আপনাগো স্বামি জান্নাতে কতো সুন্দর হবে ।
এখন একটু পিছনের দিকে ফিরবো, এই যে বলে ছিলাম স্বামী যদি গুনাহগার হয় আর স্ত্রী যদি নেককার হয়, স্বামীতো গুনাহ করার কারনে জাহান্নামে চলে যাবে, আর স্ত্রী নেককার হবার কারনে জান্নাতে চলে যাবে, তখন স্ত্রী স্বামীকে কোথায় পাবে স্বামীতো গুনাহ করার কারনে জাহান্নামে চলে গেছে, তবে শুনো
মেয়েরা জান্নাতের ভেতর তোমার যে সুন্দর যুবককে পচন্দ হয়, সে যুবককে তুমি বিয়ে করতে পারবে, মানে তোমার স্বামী করে নিতে
পারবে, আর যদি তুমি ভাবো তোমার আগের স্বামি জন্য অপেক্ষা করতে তাও করতে পারবে, কেন না স্বামি জাহান্নামের সাজা ভোগ করে এক সময় জান্নাতে প্রবেশ করবে, তবে মেয়েরা জান্নাতের ভেতর স্বামি গ্রহন করতে পারবে আর সুখের স্রোতে হারিয়ে যাবে
তোমরা স্বামী আর স্ত্রীরা ………….?
আমাদের শহীদি মসজিদ এ প্রতি শনিবার পবিএ কোরআন এ পাকের তফসীর হয়, আমি তফসিরে সবার সামনে বড় হুজুর কে এই প্রশ্ন গুলো করে ছিলাম/
আর একটা কথা যে সকল মেয়েরা জান্নাতে নতুন করে বিয়ে করবে প্লিজ তোমরা আমাকে বিয়ে করো নিয়ো====
.
মেয়েদের দ্বীন শিক্ষা
(…এক)
যে নারী বিয়ের আগে মারা গেছেন আল্লাহ তাকে জান্নাতে দুনিয়ার কোনো পুরুষের সঙ্গে বিয়ে দেবেন। কারণ- .
আবূ হুরায়রা রাদিআল্লাহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন-
.
‘কিয়ামতের দিন যে দলটি সর্বপ্রথম জন্নাতে প্রবেশ করবে, তাদের চেহারা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মত উজ্জ্বল; আর তৎপরবর্তী দলের চেহারা হবে আসমানে মুক্তার ন্যায় ঝলমলে নক্ষত্র সদৃশ উজ্জ্বল। .
তাদের প্রত্যেকের থাকবে দু’জন করে স্ত্রী, যাদের গোশতের ওপর দিয়েই তাদের পায়ের গোছার ভেতরস্থ মজ্জা দেখা যাবে। আর জান্নাতে কোনো অবিবাহিত থাকবে না।’ .
[সহীহ মুসলিম, হাদিস নং- ৭৩২৫] :
:
শায়খ উসাইমীন বলেন-
.
যদি ইহকালে মহিলার বিয়ে না হয়ে থাকে তবে আল্লাহ তাকে জান্নাতে এমন একজনের সঙ্গে বিয়ে দেবেন যা দেখে তার চোখ জুড়িয়ে যাবে। কারণ, জান্নাতের নেয়ামত ও সুখসম্ভার শুধু পুরুষদের জন্য নয়। বরং তা নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য বরাদ্দ। .
আর জান্নাতের নিয়ামতসমূহের একটি এই বিয়ে।
:
(দুই)
তালাক প্রাপ্ত হয়ে আর বিয়ে না করে মারা যাওয়া মহিলার অবস্থাও হবে অনুরূপ। :
:
(তিন)
একই অবস্থা ওই নারীর, যার স্বামী জান্নাতে প্রবেশ করেন নি।
:
শায়খ উসাইমীন বলেন-
.
‘মহিলা যদি জান্নাতবাসী হন আর তিনি বিয়ে না করেন কিংবা তাঁর স্বামী জান্নাতী না হন, সে ক্ষেত্রে তিনি জান্নাতে প্রবেশ করলে সেখানে অনেক পুরুষ দেখতে পাবেন যারা বিয়ে করেন নি।’ অর্থাৎ তাদের কেউ তাকে বিয়ে করবেন। :
:
(চার)
আর যে নারী বিয়ের পর মারা গেছেন জান্নাতে তিনি সেই স্বামীরই হবেন যার কাছ থেকে ইহলোক ত্যাগ করেছেন। :
:
(পাঁচ)
যে নারীর স্বামী মারা যাবে আর তিনি পরবর্তীতে আমৃত্যু বিয়ে না করবেন, জান্নাতে তিনি এ স্বামীর সঙ্গেই থাকবেন।
:
(ছয়)
যে মহিলার স্বামী মারা যায় আর তিনি তার পরে অন্য কাউকে বিয়ে করেন, তাহলে তিনি যত বিয়েই করুন না কেন জান্নাতে সর্বশেষ স্বামীর সঙ্গী হবেন। কারণ- .
আবূ দারদা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত,
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন-
.
‘মহিলা তার সর্বশেষ স্বামীর জন্যই থাকবে।’
.
[জামে‘ ছাগীর : ৬৬৯১; আলবানী, সিলসিলাতুল আহাদীস আস-সাহীহা : ৩/২৭৫] :
হুযায়ফা রাদিআল্লাহু আনহু তাঁর স্ত্রীর উদ্দেশে বলেন-
.
‘যদি তোমাকে এ বিষয় খুশী করে যে তুমি জান্নাতে আমার স্ত্রী হিসেবে থাকবে তবে আমার পর আর বিয়ে করো না। কেননা-.
জান্নাতে নারী তার সর্বশেষ দুনিয়ার স্বামীর সঙ্গে থাকবেন।
.
এ জন্যই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীদের জন্য অন্য কারো সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে জড়ানো হারাম করা হয়েছে। কেননা তাঁরা জান্নাতে তাঁরই স্ত্রী হিসেবে থাকবেন।’

Please follow and like us:

Post Reads: 517 Views